মানবজাতি কর্তৃক গৃহীত। মানবজাতির কল্যাণে।
আমরা এমন এক মুহূর্তে বেঁচে আছি যখন মানব সভ্যতার ভবিষ্যৎ নর্ধারিত হচ্ছে।
আমরা যা জানি, তা নিয়ে মানুষ এখন কী পদক্ষেপ নিচ্ছে—তার উপরেই ফলাফল নির্ভর করছে।
এই রূপরেখাটি নিম্নলিখিত উপলব্ধির ওপর প্রতিষ্ঠিত।
শত কোটি মানুষের খাদ্য হিসবে ব্যবহৃত পশু পালনের জন্য বিশাল এবং ক্রমবর্ধমান ভূমির ব্যবহারের ফলে পৃথবীর জীবন ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে। আফ্রিকা ও ভারতের সমলিত আয়তনের সমতুল্য এই ধ্বংসযজ্ঞ, মানুষের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ ও শর্তসমূহকে সম্পূর্ণ ধ্বংসের দ্বারপ্ন্তে নিয়ে এসেছে।
সেই ভূমি অবলম্বে প্রকৃতির কাছে ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব, এবং তা অবশ্যই ফিরিয় দিতে হবে।
এই ধ্বংসযজ্ঞ অবসান ঘটানোর প্রয়োজনীয়তাকে স্বীকৃতি দিয়ে, প্ল্যান্টিস্ট ধারণাটি হলো প্রাণিজ উপাদানমুক্ত খাদ্য অভ্যাসের প্রতি একটি অঙ্গীকার, যার মাধ্যমে মনব সভ্যতার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত হয়।
জনসমষ্টি ও প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে এই দৃশ্যমান অনুশীলন ও স্বীকৃতি ক্রমানয়ে বেগবান হচ্ছে, যতক্ষণ না এই নতুন আচরণটি একটি সাধারণ নিয়মে পরিণত হয়। একটি সংকীর্ণ হয়ে আসা সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় গতিতে কার্যকর হওযর একমাত্র উপায় এটিই।
পশুমাংস বর্জনকারী কোটি কোটি মানুষের ভিত্তির ওপর ভর করে, বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সমাজে এই রূপান্তর প্রক্রিয়াটি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে।
এই রূপরেখ একটি বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নির্ধারণ করে।
পরিস্থিতি অনুধাবন করুন।
কখনোই পশু খাবেন না।
এই পরিবর্তনটি অন্যদের কাছে দৃশ্যমান করুন: কোনো ব্যক্তির কাছে, সমাজের কাছ, কিংবা জনসাধারণের কাছে।
যেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এটি করবে, তারা অন্যদের জন্য এই পথ অনুসরণ করা সহজতর করে তুলবে।
জীবন-ধারণের অনুকূল পরিবেশ ও শর্তসমূহ ছাড়া অতীত, বর্তমান বা ভবিষ্যতে কোনো কিছুরই অস্তিত্ থাকবে না।
আজ পর্যন্ত যা কিছু অর্থপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়েছে, তার সবকিছুই টকে থাকার মতো একটি ভবিষ্যতের ওপর নির্ভরশীল।
ভবিষ্যৎ এখনো আমাদের সামনে বিদমান।
আমরা এখন কী করছি, তার ওপরই নির্ভর করছে সেই ভবিষ্যৎ টিকে থাকবে কি না।
আমরা একে টিকিয়ে রাখার সিদ্ধান্ত নিচ্।
#plantist